প্রসঙ্গ : ধর্ষণ ও একটি বিজ্ঞাপন
“এক সমাবেশে সি পি আই নেতা অতুল কুমার অনজান বলেন, ‘সানির ওই বিজ্ঞাপন দেখে ই দেশে ধর্ষনের ঘটনা বাড়ছে’
I”
(খবর- সংবাদ প্রতিদিন, 0৫ /0৯ /১৫)
সামান্য একটা কন্ডোমের বিজ্ঞাপন দেখে ধর্ষনের মতো একটা সামাজিক
জঘন্যতম অপরাধকে যিনি বা যারা যাসটিফাই করতে চাইছে , হয় এটা তাদের চূড়ান্ত ভন্ডামি বা মূর্খামি I
যোনতা নিশ্চয় ই মানুষের জীবনবিত্তিই অংশ
I কৃচ্চাসাধান বা ব্রাম্ভ্চার্যের
নামে যোনজীবনের প্রযজনিয়াতা কে
ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা নিশ্চয় ক্ষতিকর ,একই সঙ্গে ক্ষতিকর যোনজীবনকে অতিমাত্রায় গুরত্তদান I যোনতার
পিছনে সহজ প্রবিত্তিএর তাগিদে নিশ্চয় থাকতে পারে, কিন্তু সে তাগিদ যখন কোনো ব্যক্তিকে দাসে পরিনত করে,
তখন তা মানসিক এবং সামাজিক সবের পক্ষ্যে ক্ষতিকর হতে বাধ্যে আর এখান থেকেই জন্ম নেয় ধর্ষনের মতো
জঘন্য অপরাধ এঐ সব মূল্যবোধ হীন, ভোগসর্বস্য
বিকৃত কামী পুরুষরা সুস্থ সংস্ক্র্তির চরম শত্রু ছাড়া কিছুই
নয়; উভয়ের বন্ধুত্ত ,শ্রধ্যা ও ভালবাসার উত্তাপে বিকশিত হয়ে যদি শারীরিক মধুর সম্পর্ক ,হয় তাকে স্বাগত জানবই
I
বন্ধুত্ত হীন শ্রধ্যাহীন কামতাডিত পুরুষদের যোনআচার আরো বহু জনের মধ্যে ভোগ সর্ব্যস্ব সংস্কৃতির বীজ
বপন করবেই ,সমাজকে পচন ধরাবেই এঐ পরিবেশগত প্রভাবের সত্যকে মাথায় রেখে প্রতিটা সুস্থ
সমাজ সচেতন
মানুষের ঘৃনা নেমে আসা উচিত ওদের
উপর , নাকি তাদের ধর্ষনের মতো জঘন্য অপরাধকে , একটা বিজ্ঞাপনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে জাস্টিফাই
করা I মাননীয়
নেতাজী কে সবিনয় অনুরোধ এই রকম জঘন্য অপরাধীদের অপরাধ কে জাস্টিফাই করা বন্ধ করুন,
এতে
অপরাধীরা
আরো বেশী করে পশ্রয় পাবে I
“ সহধর্মিনী, প্রেমিকা, সহযোধ্যার চেযেও নারীর বড় পরিচয় হয়ে ওঠা উচিত সে আন্তমর্যাদ সম্পর্ণ ,স্বাধীন সতন্ত্র সত্তা ”
