স্বাধীনতা : এ কেমন সকIল রাতের থেকেও অন্ধকার (দ্বিতীয় পর্ব)
1947 এর
15 ই আগস্ট ,পরাধীন ভারত ব্রিটিশদের থেকে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে স্বায়ত্তশাসিত উপনিবেশ হয়ে ছিলো ;স্বাধীন নই I সেদিন
কী কী শর্ত এর বিনিময়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা ক্ষমতা হস্তান্তর
করে ছিলো তার দলিল-দস্তাবেজ আজও সাধারণ মানুষের অধারা I সেই সময় স্বাধীন ভারত ও স্বাধীন
পাকিস্তান এ কোটি
কোটি উদ্বাস্তুরা এসে ভিড় করেছিলো ,এইসব স্বাধীন উদ্বাস্তুরা,
পরাধীন ভারতেও এতোটা অসহায়,এতোটা দলিত ছিলো না I অন্ননেই,বস্ত্রনেই,স্বাস্থনেই,শীখ্য্যনেই,ঘরনেই,শুধু নেই আর নেই চারিদিকে Iনেহেরু-জিন্নার 'স্বাধীনতা-স্বাধীনতা' খেলার খেসরত দিতে হয়েছে কোটি কোটি নিরীহ মানুষকে , সেই ভয়ানক দিনগুলোতে I সেই মানুষ গুলো পরাধীনের থেকে ও পরাধীন
হয়ে সেই খেসরত চুকিয়েছিলো I
নেহেরু তাঁর দেশভাগের পোলিসিটা
জনসাধারণের কাছে গ্রহণ যোগ্য করে তুলতে ঘোষণা করলেন,"পাকিস্তান থেকে আসা প্রতিটা পরিবারের জঁন্য ঘর এবং রুজি-রোজগারের ব্যবস্থা করা হবে"স্বাধীনতার এতো গুলো বছর পেরিয়ে এসেও,এখনো সরকার পুরোপুরি ভাবে সেই প্রতিশ্রুতি পালন করতে পারেনি I কোনো সরকার আসলে সেই চেস্টIও করেনি
I আর এটাই স্বাভভিক ! সব শাসক দলই এই দালীত,দারিদ্র,শোসিত মানুষ গুলোকে নিজেদের দরকারেই
জিয়ে রাখবে;রাখবে ঝান্ডা বওযার
জন্য,মীটিংগ-মিছিলে ভীড় বাড়ানোর
জন্য I সে দিন কোটি কোটি অ-মুসলিম
মানুষ সব কিছু হারিয়ে সুদু প্রাণ বাঁচতে এই দেশে পালিয়ে এসে ছিলো;একইরকম ভাবে কোটি
কোটি মুসলিম শুধু জান বাঁচতে এদেশ ছেড়ে ছিলো I নেহেরু-জিন্নার গদির তীব্র লোভের পরিণতি
এই স্বাধীনতা I মহাভারতের পাশা খেলায় কূলবধূ দ্রোপদী হারিয়ে ছিলো ইজ্জত এখানে নেহেরু-জিন্নার
পাশা খেলায় অগুনতি সদ্য স্বাধীন কূল বধূ হারিয়ে ছিলো তাদের ইজ্জত,সম্ভ্রম Iঅর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য,দলিত
শোষন ,জাত-পাতের ভেদাভেদ,গণতন্ত্রের নামে প্রহসন স্বাধীনতার এতো বছর পরও জনগণকে স্বাধীনতার
আসল সাদ এখনো দিতে পরেনি I
“শেষ অবধি ভারতবর্ষ ভাগ হলো I এ-ভাগ জাতি সত্তIর আত্ত্যনিয়ন্ত্রণের অধিকার ভিত্তিতে নই I এ-ভাগ নেহেরু-জিন্নার তীব্র লোভের পরিণতি "
